বিডিনিউজ২৪.কম
-
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে একটি শপিং মলের কাছে মাস্ক পরে একটি বাচ্চা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন এক নারী। ছবি: রয়টার্স
দুনিয়াজুড়ে আতঙ্ক ছড়ানো নভেল করোনাভাইরাস বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনতে পারে বলে আশা করছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা।
তারা বলছেন, এই রোগ যদি শুধু চীনের বাইরে অন্য দেশে বেশি না ছড়ায়, তাহলে
বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে যে ধাক্কা লেগেছে তা কেটে যেতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপসহ অনেক দেশের তৈরি পোশাকের অর্ডার চীনের বদলে চলে আসতে
পারে বাংলাদেশে।
বিশ্বের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেন এখনও চীন; তার পরের অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম।
এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনায় যে আশঙ্কার মেঘ দেখা দিয়েছিল, চীনে প্রাণঘাতি ভাইরাস সংক্রমণ সেই চিত্র বদলে দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
নভেল করোনাভাইরাসে চীনে মৃত্যুর সংখ্যা তিন শতাধিক এবং আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ার পর বিভিন্ন দেশ দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য যোগাযোগ সীমিত করেছে।
এখানেই আশা দেখছেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “যদি এই রোগ চীনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে আমাদের রপ্তানিতে একটা ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
“এই অবস্থায় কোনো দেশই আরও অন্তত কিছুদিন চীন থেকে তৈরি পোশাক পণ্য কিনবে না। সেক্ষেত্রে চীনের অনেক অর্ডার বাংলাদেশে চলে আসতে পারে। আমাদের রপ্তানিতে যে ধাক্কা লেগেছে, তা কেটে যেতে পারে।”
তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি রুবানা হকও তেমনই মনে করেন।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “করোনাভাইরাসের কারণে মেইনল্যান্ড চায়নায় বড় বড় কোম্পানিগুলোর বিক্রয়কেন্দ্র বন্ধ হয়ে আছে। ফলে তাদের বিক্রিতে ভাটা পড়তে পারে, চীনের অভ্যন্তরে উৎপাদনও কমে যেতে পারে।
“এই পরিস্থিতিতে চীনের কিছু তাৎক্ষণিক কার্যাদেশ (অর্ডার) ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়ার মতো বাংলাদেশেও স্থানান্তরিত হয়ে আসতে পারে। বাংলাদেশের ভাগ্য ভালো হলে কিছু অর্ডার বাংলাদেশেও চলে আসতে পারে। সেক্ষেত্রে আমরা লাভবান হব। আমাদের রপ্তানিতে যে মন্দা চলছে তা কেটে যাবে।”
বিশ্বের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেন এখনও চীন; তার পরের অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম।
এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনায় যে আশঙ্কার মেঘ দেখা দিয়েছিল, চীনে প্রাণঘাতি ভাইরাস সংক্রমণ সেই চিত্র বদলে দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
নভেল করোনাভাইরাসে চীনে মৃত্যুর সংখ্যা তিন শতাধিক এবং আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ার পর বিভিন্ন দেশ দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য যোগাযোগ সীমিত করেছে।
এখানেই আশা দেখছেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “যদি এই রোগ চীনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে আমাদের রপ্তানিতে একটা ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
“এই অবস্থায় কোনো দেশই আরও অন্তত কিছুদিন চীন থেকে তৈরি পোশাক পণ্য কিনবে না। সেক্ষেত্রে চীনের অনেক অর্ডার বাংলাদেশে চলে আসতে পারে। আমাদের রপ্তানিতে যে ধাক্কা লেগেছে, তা কেটে যেতে পারে।”
তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি রুবানা হকও তেমনই মনে করেন।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “করোনাভাইরাসের কারণে মেইনল্যান্ড চায়নায় বড় বড় কোম্পানিগুলোর বিক্রয়কেন্দ্র বন্ধ হয়ে আছে। ফলে তাদের বিক্রিতে ভাটা পড়তে পারে, চীনের অভ্যন্তরে উৎপাদনও কমে যেতে পারে।
“এই পরিস্থিতিতে চীনের কিছু তাৎক্ষণিক কার্যাদেশ (অর্ডার) ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়ার মতো বাংলাদেশেও স্থানান্তরিত হয়ে আসতে পারে। বাংলাদেশের ভাগ্য ভালো হলে কিছু অর্ডার বাংলাদেশেও চলে আসতে পারে। সেক্ষেত্রে আমরা লাভবান হব। আমাদের রপ্তানিতে যে মন্দা চলছে তা কেটে যাবে।”
No comments:
Post a Comment