Thursday, November 28, 2019

মানি লন্ডারিং মামলা খালেদ-সেলিমসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট ডিসেম্বরে

 যুগান্তর পত্রিকা-

মানি লন্ডারিং মামলা

খালেদ-সেলিমসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট ডিসেম্বরে

 
খালেদ-সেলিমসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট ডিসেম্বরে
ক্যাসিনোকাণ্ডে জড়িত আট প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলায় আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে চার্জশিট দাখিল করা হবে। এ লক্ষ্যে দ্রুত তদন্ত শেষ করতে তদন্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশের ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি)।
ওই আট প্রভাবশালী হলেন- বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, জিকে শামীম, অনলাইন ক্যাসিনোর মূল হোতা সেলিম প্রধান, সেলিমের দুই সহযোগী আখতারুজ্জামান ও রোমান, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান ওরফে মিজান, গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এনামুল হক এনু ও তার ছোটভাই একই থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রূপন ভূঁইয়া। এর মধ্যে এনু ও রূপন বাদে বাকিদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগ থেকে এই আটজনের বিরুদ্ধে তদন্ত হচ্ছে। তদন্তে সবার বিরুদ্ধেই মোটা অংকের মানি লন্ডারিংয়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।
এছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পলাতক কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদের বিরুদ্ধে করা পৃথক একটি মানি লন্ডারিং মামলার তদন্ত করছে সিআইডির ঢাকা মেট্রো শাখা। জানতে চাইলে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইমের বিশেষ পুলিশ সুপার মোস্তফা কামাল যুগান্তরকে বলেন, মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত সব মামলার তদন্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে যাতে চলতি বছরের মধ্যেই তারা তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন দাখিল করেন। তবে বিশেষ কারণে যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলার তদন্ত শেষ করা না যায়, তবে আরও একটু সময় দেয়া হতে পারে। এ ক্ষেত্রে তদন্ত কর্মকর্তাদের অবশ্যই যৌক্তিক কারণ উপস্থাপন করতে হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে বিশেষ পুলিশ সুপার বলেন, তদন্তের অংশ হিসেবে আমরা সাব রেজিস্ট্রি অফিস, বাংলাদেশ ব্যাংক, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, জয়েন্ট স্টক কোম্পানি লিমিটেড এবং রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশসহ (রিহ্যাব) সরকারের বিভিন্ন দফতরে চিঠি দিয়েছিলাম। বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে এরই মধ্যে জবাব এসেছে।
সিআইডি সূত্র জানায়, অভিযানে যারা ধরা পড়েছে তাদের বিরুদ্ধে সঠিক তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ কারণে মানি লন্ডারিং মামলাগুলো অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রতিটি মামলা তদন্তের জন্য একজন করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে পৃথক টিম করা হয়েছে। তাছাড়া একজন ডিআইজির (ইকোনমিক) নেতৃত্বে মনিটরিং সেল করা হয়েছে

যুগান্তর

খবর > অর্থনীতি আর্থিক খাতের জন্য বিশ্বমানের ‘তত্ত্বাবধান কাঠামো’ হচ্ছে: গভর্নর


হঠাৎ অস্থির ডলার বাজার

জনতা ব্যাংক লিমিটেড সংযুক্ত আরব আমিরাতের আরএকে ব্যাংকের সাথে যৌথভাবে মধ্য প্রাচ্যের দেশে রেমিট্যান্স সংগ্রহের জন্য কাজ করবে-অর্থমন্ত্রী


 https://encrypted-tbn0.gstatic.com/images?q=tbn:ANd9GcR-p_ZFbPkyudLEURX2fN5Nz7oqElwSDrtuhJ2iSeDkPPB-IF9z&s


বাংলাদেশে সংযুক্ত আরব আমিরাত দূতাবাসের চার্জডাফায়ারদের নেতৃত্বে নয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল তার সচিবালয়ের কার্যালয়ে মন্ত্রীর সাথে দেখা করেন।

প্রতিনিধি দলের সাথে তার বৈঠক সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, জনতা ব্যাংক লিমিটেড সংযুক্ত আরব আমিরাতের আরএকে ব্যাংকের সাথে যৌথভাবে মধ্য প্রাচ্যের দেশে রেমিট্যান্স সংগ্রহের জন্য কাজ করবে।

তিনি বলেন, ২.০ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়ার পরেও আইনী চ্যানেলের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে অভ্যন্তরীণ রেমিট্যান্স এখনও সীমিত সংখ্যক ব্যাংক শাখার কারণে প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম।

এই কারণে, রেমিটাররা অবৈধ চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ প্রেরণ করে, যা কেবল তাদের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ নয়, বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্যও ক্ষতিকারক।

মন্ত্রী বলেন, আরএকে ব্যাংক সংযুক্ত আরব আমিরাত জুড়ে ভাল সংখ্যক শাখা নিয়ে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করবে এবং জনতা ব্যাংক সেগুলি বাংলাদেশে প্রেরণ করবে, মন্ত্রী জানান।

অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সকে মেরুদণ্ডের কথা উল্লেখ করে মিঃ কামাল বলেন, এই অংশীদারিত্ব সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বিদেশের প্রবাহকে বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করবে।

২০১৮-১৯  অর্থবছরে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে $ 2.54 বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে।

উন্নয়ন দেখে বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী হচ্ছে: এফবিসিসিআই সভাপতি


Sunday, November 17, 2019

খেলাপিরা ১৫% শোধ করলে নতুন ঋণ



মানি লন্ডারিং দূর করতে হবে


মানি লন্ডারিং দূর করতে হবে
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন আজ শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়। এখন এটি সারা বিশ্বের সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। এই সমস্যা মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশ, জাতি ও সমাজ একযোগে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ থেকে দুর্নীতি, মানি লন্ডারিং ও জঙ্গিবাদ দূর করে জাতিকে মুক্তি দেব। গতকাল রাজধানীর শাহবাগে একটি হোটেলে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
‘মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে প্রণীত জাতীয় কৌশলপত্র’ শীর্ষক সেমিনার আয়োজন করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্ট ইউনিট (বিএফআইউ)। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএফআইউ প্রধান আবু হেনা  মোহাম্মদ রাজী হাসান। সেমিনারে মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. ফজলে কবির। এ ছাড়া পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, বাংলাদেশে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেরা উপস্থিত ছিলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থ পাচার এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ন একদিকে যেমন অর্থনীতির ক্ষতি করে, অন্যদিকে দেশের সামাজিক ক্ষতি করে। এ সমস্যা মোকাবিলায় আমরা ‘জাতীয় কৌশল’ নিয়েছি। এখন এটি সারা বিশ্বের সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে সন্ত্রাসে অর্থায়ন করে একটি দেশকে, দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়। একটি দেশকে দেশের মানুষকে মেরে ফেলার জন্য মানি লন্ডারিংই যথেষ্ট। তাই এ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করতে হবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দেশ থেকে শতভাগ দুর্নীতি, মানি লন্ডারিং ও জঙ্গিবাদ দূর করে জাতিকে মুক্তি দিবেন। আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করছি। তিনি আরও বলেন, যে কোনো মূল্যে আমরা আমাদের দেশ থেকে মানি লন্ডারিং দূর করব। একই সঙ্গে মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে যে সব সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে  অর্থায়ন হয় সেগুলো মোকাবিলা করব। আমি আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপকে অনুরোধ করব আসুন মানি লন্ডারিং, দুর্নীতি ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে আমরা একসঙ্গে কাজ করি। সেমিনারে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, আমরা আশা করব বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্রগুলো আমাদের অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জগুলোকে ভালোভাবে বুঝতে পারছেন। আমরা পশ্চিমা বিশ্বের একটি রাষ্ট্রকে বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেছি, সে দেশে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা ধর্মীয় মূল্যবোধের অপব্যবহার করে টাকা সংগ্রহ করে বাংলাদেশের জঙ্গি, সন্ত্রাসবাদ, মৌলবাদ উসকে দিচ্ছে। আমরা শত চেষ্টার পরেও সে দেশকে তা বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছি। কিন্তু সম্প্রতি সে দেশটি নিজেদের কিছু সমস্যার মধ্যে পড়ে বিষয়গুলো অনেক দেরিতে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু এদের উপলব্ধি যদি অনেক আগে আসত তাহলে আমরা অনেক ক্ষতি সামাল দিতে পারতাম।

প্রতিদিন।

Monday, November 11, 2019

৯৭% প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা বাড়বে-এইচএসবিসির জরিপে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের আশা




সমকাল প্রতিবেদক
বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা আগের তুলনায় অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়েছেন। প্রায় সব ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান আশা করছে, তাদের ব্যবসায় উচ্চ প্রবৃদ্ধি হবে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান মনে করছে, ১৫ শতাংশ পর্যন্ত তাদের ব্যবসা বাড়বে। দেশের শক্তিশালী অর্থনীতি ও গতিশীল বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবসায়ীদের আস্থা বেড়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের আত্মবিশ্বাস বেশি।

আগামী বছর কেমন যাবে তা নিয়ে বহুজাতিক ব্যাংক এইচএসবিসির এক বৈশ্বিক জরিপে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের আস্থার এ চিত্র উঠে এসেছে। জরিপে বাংলাদেশের ১৯৩টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানসহ সারাবিশ্বের নয় হাজার ১৩১টি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ পরিকল্পনা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের নির্ণায়ক ও পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে প্রবৃদ্ধির পরিকল্পনার ব্যবসায়িক চিন্তাভাবনাকে তুলে ধরা হয়েছে। সম্প্রতি জরিপের ফল প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করেছে এইচএসবিসি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় সব বাংলাদেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই তাদের ভবিষ্যৎ ব্যবসায় উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনে আশাবাদী।

এ বিষয়ে এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী ফ্রাঁসোয়া দ্য ম্যারিকো বলেন, এশিয়ার প্রবৃদ্ধির কেন্দ্রে রয়েছে বাংলাদেশ। ফলে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর আশাবাদী হওয়াটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ব্যবসায়িক পরিবেশ ও নতুন বাজারে নিজেদের ব্যবসার পরিধি সম্প্রসারণ করছে। নতুন প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে বিনিয়োগকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন। দ্রুত বর্ধনশীল শিল্পের ১০ জনের ৯ জনই বিশ্বাস করেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমেই নতুন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও কর্মক্ষেত্রে গতিশীলতার উন্নয়ন হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ম্যানুফ্যাকচারিং ও তৈরি পোশাক শিল্পের প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য থেকে লাভের ক্ষেত্রে আগামী বছরগুলোতে বাংলাদেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।

বাংলাদেশে রয়েছে তেজী ভাব :প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় সব প্রতিষ্ঠানই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিচ্ছে। ৯৭ শতাংশ বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানই আগামী বছরে ভালো প্রবৃদ্ধি আশা করছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যান্য দেশের গড় ৭৯ শতাংশ ও এশীয় দেশগুলোর গড় ৭৭ শতাংশ। ৫০ শতাংশ বাংলাদেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ১৫ শতাংশ বা তারও বেশি প্রবৃদ্ধি আশা করছে, যা বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির দ্বিগুণ। গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আত্মবিশ্বাসও ঊর্ধ্বমুখী। ৭৪ শতাংশ বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর আত্মবিশ্বাস আগের তুলনায় বেড়েছে। এশিয়ার অন্যান্য দেশে গড়ে ৪৩ শতাংশ ব্যবসায়ীর আত্মবিশ্বাস আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে।

বাংলাদেশের ৮৩ শতাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীরা এশিয়াকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে দেখছেন। জরিপে অংশ নেওয়া ৪৩ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ব্যবসায়িক অংশীদার হলো চীন। আর ৩৬ শতাংশ উত্তরদাতা জাপানকে ও ২৭ শতাংশ ভারতকে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক অংশীদার মনে করেন। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো চীনের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক জোরদার করেছে। কারণ এ করিডোর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের বিভিন্ন পন্থাও এসব প্রতিষ্ঠান চালিয়ে যাচ্ছে।

এবারের জরিপে অংশ নেওয়াদের ৪২ শতাংশ বাংলাদেশি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান মনে করে, বিশ্বের বড় দেশগুলোর রক্ষণশীল নীতিমালার প্রভাব বাড়ছে। গত বছর জরিপে অংশ নেওয়াদের ৯৩ শতাংশ এ ধরনের মত দিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো যৌথ উদ্যোগে কাজ করছে।

আয়কর টুকি টাকি: আয়কর মেলা শুরু বৃহস্পতিবার

আয়কর
করসেবা প্রদান ও কর সচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছরের মতো এবারও দেশব্যাপী আয়কর মেলার আয়োজন করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে করমেলা শুরু হবে। রাজধানী ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরে সপ্তাহব্যাপী মেলা চলবে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত।
রাজধানীর মেলা হবে বেইলি রোডের অফিসার্স ক্লাব প্রাঙ্গণে। এছাড়া সব জেলা শহর এবং ৫৬টি উপজেলায় মেলা হবে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে ৫৭টি গ্রোথ সেন্টারে এক দিন ভ্রাম্যমাণ মেলা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। মেলায় ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা হয়রানিমুক্তভাবে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। বিভাগীয় শহরে ৭ দিনব্যাপী, জেলা শহরে ৪ দিনব্যাপী, ৪৮ উপজেলায় দুই দিন ও আট উপজেলায় দিনব্যাপী করমেলা আয়োজন করবে এনবিআর। এবার দেশের ১২০ স্থানে আয়কর মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
এবারের কর মেলার স্লোগান, ‘সবাই মিলে দেব কর, দেশ হবে স্বনির্ভর।’এছাড়া ৩০ নভেম্বর পালিত হবে জাতীয় আয়কর দিবস। এরপর আয়কর রিটার্ন জমা দেয়া যাবে না। তবে উপ কর-কমিশনারের কাছে সময় বৃদ্ধির আবেদন এবং জরিমানা দিয়ে রিটার্ন জমা দেয়া যাবে। ১৪ নভেম্বর সকাল ১০টায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। ওই দিনই রাজধানীর র‌্যাডিসন হোটেলে সেরা করদাতাদের সম্মাননা দেয়া হবে। যেখানে ১৪১ জন সেরা করদাতাকে ট্যাক্স কার্ড দেয়া হবে। ওই দিন সারা দেশে মোট ৫১৮ জনকে সেরা করদাতার সম্মাননা দেয়া হবে।
Jugantor

Sunday, November 10, 2019

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বাংলাদেশ: আতিউর রহমান

https://www.jugantor.com/assets/news_photos/2019/11/10/image-242309-1573328826.jpg

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান বলেছেন, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে রাজধানী থেকে গ্রামাঞ্চলে প্রতিদিন ১৩ কোটি টাকা স্থানান্তর হচ্ছে। এর মাধ্যমে বোঝা যায় গ্রামাঞ্চলে লেনদেনের ক্ষেত্রে মোবাইল ব্যাংকিং বিপ্লব এনেছে। অন্য কোনো দেশে এমন লেনদেন হয় না। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। শনিবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) আয়োজিত ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন বিজনেস, ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনারশিপ (আইসিবিএমই-২০১৯)’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আতিউর রহমান। বাংলাদেশ ডিজিটালাইজেশনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে আতিউর রহমান আরও বলেন, শহর ও গ্রামের ৬৮ শতাংশ মানুষ এখন স্মার্টফোন ব্যবহার করছে। সব কিছুই ডিজিটাল হচ্ছে। গ্রামের মানুষও ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। মোবাইল ফাইন্যান্স সার্ভিসগুলো ইন্টারনেটের আওতায় এসেছে। আইসিটি খাতে এরই মধ্যে বিপুলসংখ্যক তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন উদ্ভাবনী আইডিয়ার মাধ্যমে তারা ব্যবসা করছে।
কনফারেন্সে ডিআইইউর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব আইসিটি এখন দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে। বাংলাদেশ, ভারত ও চীনের জন্য এ খাত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম তিনটি শিল্পবিপ্লবই ইউরোপ-আমেরিকায় ঘটেছে। তখন তারাই পৃথিবী নিয়ন্ত্রণ করত। কিন্তু এখন কোনো সাম্রাজ্যবাদী সুপার পাওয়ার নেই। ব্যবসা ও উন্নয়নের অবাধ স্বাধীনতা রয়েছে। অর্থনৈতিক সব সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফ বলেন, নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য আইসিটি মন্ত্রণালয় অনেক সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে নতুন নতুন আইডিয়াকে সরকার ব্যাপক উৎসাহিত করছে। কনফারেন্সে ‘লিডিং উইমেন এন্ট্রাপ্রেনারশিপ অ্যান্ড এডুকেশননিস্ট’ বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাসুদা এম রশীদ চৌধুরী। এছাড়া ‘ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনারশিপ’ বিষয়ে আলোচনা করেন ভারতের এমটিসি গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. ভোলানাথ দত্ত। কনফারেন্সে বক্তব্য দেন ডিআইইউর ভিসি অধ্যাপক ড. কেএম. মোহসীন, ভারতের শিক্ষা ও অনুসন্ধান ইউনিভার্সিটির সাবেক ভিসি ড. আরপি মোহন্ত প্রমুখ।

Saturday, November 9, 2019

খেলাপি হলেই ঋণ অবলোপন!





মন্দমানের ঋণের বিপরীতে শতভাগ প্রভিশন রেখে সঙ্গে সঙ্গে অবলোপন করার সুপারিশ করেছেন ব্যাংকিং খাতের এমডিরা। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী খেলাপি হওয়ার পরেও অবলোপন করার জন্য তিন বছর অপেক্ষা করতে হয়। এই নীতিমালা থেকে অব্যাহতি চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সুপারিশ করেছে ব্যাংকের নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি)।

আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের একটি বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানা গেছে।
বৈঠকে সভাপতিত্বে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর মনিরুজ্জামান, ব্যাংকিং রিচার্জ উপদেষ্টা এসকে সুর চৌধুরী এবং ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দের একটি দল।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, ঋণ পুনঃতফসিল, খেলাপি ঋণ অবলোপন, ইন্টারনাল ক্রেডিট রেটিংসহ (আইসিআরআর) বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কোনও বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন মাস শেষে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ১২ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা। এরমধ্যে কু-ঋণ বা মন্দ ঋণের পরিমাণ ৯৭ হাজার ৯৩৭ কোটি টাকা। যেকোনো সময় অবলোপনের সুযোগ পেলে কু-ঋণের পুরো অর্থ হিসাব থেকে বাদ দিতে পারবে ব্যাংকগুলো। অর্থাৎ নীতিমালা কার্যকর হলে খেলাপি ঋণ দাঁড়াতে পারে মাত্র ১৪ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকা। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে ব্যাংকিং খাত আরও সঙ্কটে পড়তে পারে বলে মত বিশ্লেষকদের।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে সর্বপ্রথম অবলোপন নীতিমালা শিথিল করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ৫ বছরের পরিবর্তে ৩ বছরের অনাদায়ী খেলাপি ঋণ হিসাব থেকে বাদ দিতে পারছে ব্যাংকগুলো। আগে মামলা ছাড়া ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অবলোকন করতে পারতো। কিন্তু এখন দুই লাখ টাকা পর্যন্ত খেলাপি ঋণ মামলা ছাড়াই অবলোপন করতে পারছে তারা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুন শেষে মোট অবলোপনকৃত ঋণের পরিমাণ ৪০ হাজার ৪২৬ কোটি টাকা।