ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের
সক্ষমতা যাচাই করে যেসব ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি, তারা কতটা সঠিকভাবে এ
কাজটি করছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ আছে, ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের
সক্ষমতা বিবেচনায় না নিয়েই ঘুষের বিনিময়ে দেয়া হচ্ছে উচ্চমানের রেটিং।
এর ফলে অনক দুর্বল প্রতিষ্ঠানও ঋণ পেয়ে যাচ্ছে। তারা সময়মতো ঋণ পরিশোধ
করতে না পেরে একসময় হয়ে পড়ছে ঋণখেলাপি। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
দেশে যখন খেলাপি ঋণের পরিমাণ উত্তরোত্তর বাড়ছে এবং এর ফলে ব্যাংকিং খাতে বিরাজ করছে দুরবস্থা, তখন ক্রেডিট রেটিংয়ের ক্ষেত্রে সঠিকতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করি আমরা। অথচ দুর্ভাগ্যের বিষয়, সেটি হচ্ছে না। ফলে বাড়ছে খেলাপি ঋণ। সংশ্লিষ্ট ক্রেডিং রেটিং এজেন্সিগুলো এর দায় এড়াতে পারে না।
দেশের ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যা বিরাজ করছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল উচ্চ খেলাপি ঋণ। মাত্রাতিরিক্ত খেলাপি ঋণ ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতির অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বস্তুত খেলাপি ঋণ শুধু ব্যাংকিং খাতে নয়, দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেই ঝুঁকি তৈরি করছে।
মাত্রাতিরিক্ত খেলাপির প্রভাব পড়ছে ঋণ ব্যবস্থাপনায়, বিশেষত ঋণের সুদহারে। এ কারণে এগোতে পারছেন না ভালো উদ্যোক্তারা। ফলে বাড়ছে না বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান। এ অবস্থায় ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের মৌলভিত্তি ভালোভাবে যাচাই না করে ঋণ প্রদান কোনোভাবেই সমীচীন নয়। কারণ অনেকেই ভুয়া সম্পদ দেখিয়ে ঋণ পাওয়ার চেষ্টা করে।
দেখা যায়, শতকোটি টাকার উপরে সম্পদ দেখালেও বাস্তবে তার দাম এক কোটি টাকাও নয়। ঋণ আদায়ের জন্য ওইসব কোম্পানির সম্পদ নিলামে ডাকা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায় না। ঋণগ্রহীতা কোম্পানির সম্পদের পরিমাণ সঠিকভাবে যাচাই করে ঋণ দেয়া হলে এমনটি ঘটার আর আশঙ্কা থাকে না।
বস্তুত এজন্যই গড়ে উঠেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সিগুলো। তবে পরিতাপের বিষয়, এ নিয়েও কেউ কেউ জমজমাট অবৈধ ব্যবসা করছে। জানা গেছে, দেশে বর্তমানে আটটি ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দেশে এতগুলো রেটিং এজেন্সির কোনো দরকার নেই।
বস্তুত ঋণগ্রহীতাদের যাবতীয় তথ্য ব্যাংকগুলোর কাছেই থাকে। সেক্ষেত্রে এ ক্রেডিট রেটিং সনদ বাধ্যতামূলক করাটা উদ্যোক্তাদের ওপর এক ধরনের খড়গস্বরূপ। আর ক্রেডিং রেটিং এজেন্সিগুলো যদি ঘুষের মাধ্যমে সনদ দিয়ে থাকে, তাহলে তাদের ওপর ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা যাচাইয়ের দায়িত্ব দেয়া তো অর্থহীন।
আমরা মনে করি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উচিত বিষয়টি ভালোভাবে খতিয়ে দেখা। কোনো রেটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া উচিত। যেসব এজেন্সি ভুয়া রেটিং দেয়, তাদের লাইসেন্স বাতিল করতে হবে। এজেন্সিগুলোকে জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে তাদের মান ও যোগ্যতা। দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির স্বার্থেই এটি প্রয়োজন।
https://www.youtube.com/channel/UCtdxlW_6Wv_ncTSp2iEOEwA?view_as=subscriber
দেশে যখন খেলাপি ঋণের পরিমাণ উত্তরোত্তর বাড়ছে এবং এর ফলে ব্যাংকিং খাতে বিরাজ করছে দুরবস্থা, তখন ক্রেডিট রেটিংয়ের ক্ষেত্রে সঠিকতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করি আমরা। অথচ দুর্ভাগ্যের বিষয়, সেটি হচ্ছে না। ফলে বাড়ছে খেলাপি ঋণ। সংশ্লিষ্ট ক্রেডিং রেটিং এজেন্সিগুলো এর দায় এড়াতে পারে না।
দেশের ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যা বিরাজ করছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল উচ্চ খেলাপি ঋণ। মাত্রাতিরিক্ত খেলাপি ঋণ ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতির অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বস্তুত খেলাপি ঋণ শুধু ব্যাংকিং খাতে নয়, দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেই ঝুঁকি তৈরি করছে।
মাত্রাতিরিক্ত খেলাপির প্রভাব পড়ছে ঋণ ব্যবস্থাপনায়, বিশেষত ঋণের সুদহারে। এ কারণে এগোতে পারছেন না ভালো উদ্যোক্তারা। ফলে বাড়ছে না বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান। এ অবস্থায় ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের মৌলভিত্তি ভালোভাবে যাচাই না করে ঋণ প্রদান কোনোভাবেই সমীচীন নয়। কারণ অনেকেই ভুয়া সম্পদ দেখিয়ে ঋণ পাওয়ার চেষ্টা করে।
দেখা যায়, শতকোটি টাকার উপরে সম্পদ দেখালেও বাস্তবে তার দাম এক কোটি টাকাও নয়। ঋণ আদায়ের জন্য ওইসব কোম্পানির সম্পদ নিলামে ডাকা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায় না। ঋণগ্রহীতা কোম্পানির সম্পদের পরিমাণ সঠিকভাবে যাচাই করে ঋণ দেয়া হলে এমনটি ঘটার আর আশঙ্কা থাকে না।
বস্তুত এজন্যই গড়ে উঠেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সিগুলো। তবে পরিতাপের বিষয়, এ নিয়েও কেউ কেউ জমজমাট অবৈধ ব্যবসা করছে। জানা গেছে, দেশে বর্তমানে আটটি ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দেশে এতগুলো রেটিং এজেন্সির কোনো দরকার নেই।
বস্তুত ঋণগ্রহীতাদের যাবতীয় তথ্য ব্যাংকগুলোর কাছেই থাকে। সেক্ষেত্রে এ ক্রেডিট রেটিং সনদ বাধ্যতামূলক করাটা উদ্যোক্তাদের ওপর এক ধরনের খড়গস্বরূপ। আর ক্রেডিং রেটিং এজেন্সিগুলো যদি ঘুষের মাধ্যমে সনদ দিয়ে থাকে, তাহলে তাদের ওপর ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা যাচাইয়ের দায়িত্ব দেয়া তো অর্থহীন।
আমরা মনে করি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উচিত বিষয়টি ভালোভাবে খতিয়ে দেখা। কোনো রেটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া উচিত। যেসব এজেন্সি ভুয়া রেটিং দেয়, তাদের লাইসেন্স বাতিল করতে হবে। এজেন্সিগুলোকে জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে তাদের মান ও যোগ্যতা। দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির স্বার্থেই এটি প্রয়োজন।
https://www.youtube.com/channel/UCtdxlW_6Wv_ncTSp2iEOEwA?view_as=subscriber

No comments:
Post a Comment