Sunday, February 9, 2020

খবর > অর্থনীতি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের লেনদেনের তথ্য দিতে হবে দুদককে

Friday, February 7, 2020

এখন সঞ্চয়পত্রের উল্টো পিঠ দেখছে সরকার

বিডিনিউজ২৪.কম

Wednesday, February 5, 2020

খেলাপি ঋণ: ৫০,১৮৬ কোটি টাকা পুনঃতফসিল করা হয়েছে এক বছরে

একেএম জামির উদ্দিন

খেলাপি ঋণ কম দেখাতে এবং বেশি মুনাফা দেখানোর চেষ্টার অংশ হিসাবে গত বছর রেকর্ড পরিমাণ ঋণ পুনঃতফসিল করেছে ব্যাংকগুলো।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ৫০ হাজার ১৮৬ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ নিয়মিত করা হয়েছে। যা এক বছরে সবচেয়ে পরিমাণে পুনঃতফসিল করার রেকর্ড। 
গত বছর ১৬ মে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শিথিল করা নীতিমালার মাধ্যমে ১৮ হাজার ৫৮৪ কোটি টাকা পুনঃতফসিল করা হয়। ঋণ খেলাপিদের প্রদেয় ১০ থেকে ৫০ শতাংশের বদলে মাত্র ২ শতাংশ বকেয়া প্রদানের মাধ্যমে তাদের ঋণ পুনঃতফসিল করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
শিথিল করা নীতিমালা থেকে পুনঃতফসিল করা ঋণের ডাউন পেমেন্ট হিসেবে ব্যাংকগুলো মাত্র ৪৭৯ কোটি টাকা পুনরুদ্ধার করতে পেরেছে। 
পলিসি রিসার্চ ইন্সটিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, “ব্যাংকগুলো খেলাপিদের ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা যাচাই না করেই গড়পড়তা ঋণ পুনঃতফসিল করার ফলে এগুলো আবার খেলাপি হবে।”
বাংলাদেশ ব্যাকের তথ্য অনুযায়ী গত বছর পুনঃতফসিল করা খারাপ ঋণের ১৩ হাজার ২৮৪ কোটি টাকা আবার খেলাপি হয়েছে। এর অর্থ পুনঃতফসিল করা ঋণের প্রায় এক-চতুর্থাংশ আবার খারাপ ঋণে পরিণত হয়েছে। 
ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্বরত এইচ মনসুর গতকাল দ্য ডেইলি স্টারকে বলেছেন, “খেলাপি ঋণের প্রকৃত অবস্থা আড়াল করতে এটা কেবল একটি আই ওয়াশ।”
তিনি উল্লেখ করেন, গড়পড়তা ঋণ পুনঃতফসিল করা এটাই ইঙ্গিত দেয় যে ব্যাংকগুলো লাভ দেখানোর জন্য তাদের ব্যালান্সশিট কৃত্রিমভাবে পরিচ্ছন্ন দেখাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাবেক কর্মকর্তা এইচ মনসুর আরও বলেছেন, “তবে এটি ব্যাংকগুলোর আর্থিক অবস্থা উন্নয়নের কোনো সমাধান না।”
তিনি মন্তব্য করেছেন, ঋণদাতাদের খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারে আরও বেশি গতিশীল হওয়া উচিত। অন্যথায় তারা গভীর সমস্যায় পড়বেন।
ঋণ খেলাপিরা বাংলাদেশ ব্যাংকের শিথিল করা নীতিমালা গ্রহণ করলে গত বছর নভেম্বরে খেলাপি ঋণ দুই মাস আগের ১ লাখ ১৬ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা থেকে কমে ৯৬ হাজার ৯৮৬ কোটি টাকায় নেমেছিল।
এইচ মনসুর বলেন যে ব্যাংকগুলো যদি খেলাপি ঋণ শিথিল নীতিমালার মধ্যে না আনতেন তাহলে নন-পারফর্মিং লোনের (এনপিএল) পরিমাণ খুব বেশি বেড়ে যেত।
গত বছর বেসরকারি ব্যাংকগুলো পুনঃতফসিল করা ঋণের ৩০ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা বা ৬১ শতাংশ নিয়মিত করেছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী আটটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক পুনঃতফসিল করেছে ১৯ হাজার ৬০১ কোটি টাকা এবং বিদেশি ব্যাংকগুলো করেছে ৩৮ কোটি ১০ লাখ টাকা।
দ্য ডেইলি স্টারের সঙ্গে কথা বলার সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, বড় পরিমাণে খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল করায় ব্যাংকগুলোর নতুন করে ঋণ দেওয়ার ক্ষমতা কমছে। 
ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা ঋণ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “সম্প্রতি অর্থনীতি মন্দার মুখোমুখি হয়েছে। ব্যাংকগুলো নতুন ঋণ বিতরণ করতে ব্যর্থ হলে এটি আরও বাড়বে।”
ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক মাইনউদ্দিন আহমেদ বলেন, অভ্যাসগত খেলাপিদের পুনঃতফসিলের সুবিধা দেওয়া ভালো ঋণগ্রহীতাদের প্রতি অবিচার করা।
তিনি উল্লেখ করেন, খেলাপি ঋণের পরিমাণ কৃত্রিম উপায়ে কমিয়ে আনা কাম্য না।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, তাৎক্ষণিক ফলাফল পেতে খারাপ ঋণ পুনঃতফসিল করা উচিত না ঋণদাতাদের। 
তিনি আরও বলেন, পুনঃতফসিল নীতি শিথিল হওয়ায় ব্যাংকগুলো এনপিএলের কিছু অংশ পুনরুদ্ধার করতে পেরেছে। ঋণদাতারা আগে খেলাপিদের কাছে থেকে কোনো অর্থই আদায় করতে পারছিলেন না।
Jugantor 

আরও খবরের জন্য
www.ranabhuiyan.com

‘আমি সারা বিশ্বের এক নম্বর অর্থমন্ত্রী’

‘আমি সারা বিশ্বের এক নম্বর অর্থমন্ত্রী’
ফাইল ছবি
স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইনানশিয়াল করপোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাগুলোর উদ্বৃত্ত অর্থ রাষ্ট্রের কোষাগারে নিতে আইন করার প্রস্তাব বিরোধী দলের তীব্র বিরোধিতার মধ্যে পাস হয়েছে সংসদে। অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী সংসদ সদস্যদের তীব্র বাদানুবাদের মধ্যে বুধবার বিলটি পাস হওয়ার পর ওয়াকআউট করে প্রতিবাদ জানায় বিএনপি।
ওয়াকআউট না করলেও বিলটি স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী যখন ভোটে দেন, তখন প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সদস্যরা ‘না’ ভোট দেন। বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হওয়ার আগে জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলো উত্থাপনের সময় এর প্রবল বিরোধিতা করেন বিরোধী সংসদ সদস্যরা।
বিরোধী সদস্যদের সমালোচনার জবাব দিতে দাঁড়িয়ে জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘এত বক্তৃতা শুনতে ভালো লাগে নাই। আপনারা এক সময় দায়িত্বে ছিলেন, কী কাজ করেছেন? পৃথিবীতে কোথায় কী হচ্ছে, জানা দরকার। বাংলাদেশ অন্য দেশের কাছে দৃষ্টান্ত।’
মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা বলছেন- ব্যাংক, শেয়ারবাজার সব খালি করে ফেলেছি। আপনাদের সময় পুঁজিবাজার কী ছিল? আপনাদের সময় ইনডেক্স কী ছিল? এবার সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা।’
মুজিবুল হক চুন্নুর উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘একবার চিন্তা করে দেখেন। সাইফুর রহমান চ্যার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ছিলেন। আমিও তাই। আমি সারা বিশ্বের এক নম্বর অর্থমন্ত্রী। পারসোনাল লেভেলে কথা বলবেন, এটা ঠিক নয়। আমিও অনেক কিছু বলতে পারি। সবার বিষয়েই আমি জানি।’
দেশের অর্থনীতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘একমাত্র রফতানি বাণিজ্য নেগেটিভ। এটা ছাড়া একটি খাতও নেই আমরা পিছিয়ে আছি। সবাই মনে করে বিশ্বব্যাংক, এডিবি, জেপি মর্গান সবাই মনে করে জিডিপি আট ভাগের কম হবে না।’
রাজস্ব আয়ে ঘাটতির বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ভ্যাট আইন নিয়ে আশাবাদী ছিলাম। বাস্তবায়ন করতে পারিনি। আংশিক ভ্যাট মেশিন এনেছে। বাস্তবায়ন শুরু করতে পারিনি। রাজস্ব আহরণ কম বলছেন। জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৯৭ হাজার বছরের শেষে পুরোমাত্রায় আদায় হবে। নেগেটিভ থাকবে না। কারণ আমাদের সৎ ও শক্ত প্রধানমন্ত্রী আছেন।’
আরও পড়ুন

Monday, February 3, 2020

ডলার
বিদেশ গমনাগমনে এখন থেকে ঘোষণা ছাড়াই ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত সঙ্গে রাখা যাবে, যা আগে ছিল ৫ হাজার ডলার। বিদেশে যাওয়া-আসায় সঙ্গে ডলার রাখার সর্বোচ্চ অঙ্ক দ্বিগুণ করে সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলার জারি করেছে। বিদেশ গমনাগমনে সঙ্গে রাখা অর্থের অঙ্ক বাড়িয়ে ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ৫ হাজার ডলার করা হয়েছিল।
এ দিকে বিদেশ গমনাগমনে বছরে ১২ হাজার ডলার পর্যন্ত নেয়ার সীমা বেঁধে দেয়া আছে। এখন থেকে একবারে কোনো বাংলাদেশি বিদেশ যাওয়ার সময় কোনো ঘোষণা ছাড়া অনধিক ৫ হাজার মার্কিন ডলার সঙ্গে রাখতে পারবেন এবং বিদেশ থেকে আসার সময়ও একই পরিমাণ ডলার ঘোষণা ছাড়াই বহন করতে পারবেন।
মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ব্যাংকগুলোর নির্বাহীদের সংগঠন এবিবির সাবেক চেয়ারম্যান আনিস এ খান বলেন, এই সিদ্ধান্তটি খুব ভালো হয়েছে। আমেরিকায় ১০ হাজার ডলার নিয়ে যাওয়া যায়। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে এতদিন ৫ হাজার ডলার নিয়ে যাওয়া যেত। এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন যে যার সামর্থ্য অনুযায়ী ডলার বৈধভাবে নিয়ে যাবে।
নিয়ম অনুযায়ী, ঘোষণা ছাড়া আনা ডলার অনিবাসী বাংলাদেশিরা ফেরত আসার পর যে কোনো সময় টাকায় ভাঙাতে পারবেন অথবা বৈদেশিক মুদ্রা হিসেবে জমা করতে পারবেন। তবে এই পরিমাণের বেশি ডলার ঘোষণা দিয়ে আনার ৩০ দিনের মধ্যে টাকায় ভাঙাতে হয়। শুল্ক কর্তৃপক্ষের কাছে এফএমজে ফরমে ঘোষণা দিয়ে যে কোনো পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশে আনার সুযোগ রয়েছে। এখন ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত আনার ক্ষেত্রে কোনো ঘোষণার প্রয়োজন হবে না।

যুগান্তর


বাংলাদেশ ব্যাংকের জিএম হলেন রফিকুল ইসলাম

bdnews24
রোববার এক অফিস নির্দেশে এই পদোন্নতির কথা জানোনো হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশনের উপ-মহাব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম।

রফিকুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ হতে অনার্সসহ স্নাতকোত্তর এবং পরে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ হতে স্নাতকোত্তর করেন তিনি।
এছাড়া নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় হতে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজে মাস্টার ইন ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (এমডিএস) সম্পন্ন করেন।
রফিকুল ইসলাম ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগ দিয়ে প্রধান কার্যালয়ের ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ, ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এবং ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন এ দায়িত্ব পালন করেন।
পেশাগত দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০০৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক এমপ্লয়িজ রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড (গোল্ড মেডেল) লাভ করেন।

Sunday, February 2, 2020

বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে চীন!


ডেইলী স্টার
স্টার অনলাইন রিপোর্ট
চীনে মহামারি আকার ধারণ করেছে করোনাভাইরাস। দেশটির হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে উৎপত্তি হওয়া ভাইরাসটি ইতোমধ্যে বিশ্বের অনেক দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে। চলমান অবস্থায় বিশ্বব্যাপী সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
ইতোমধ্যে অনেক দেশই তাদের নাগরিকদের চীন ভ্রমেণ নিষেধাজ্ঞা জারিসহ চীনের সঙ্গে সব ধরনের ফ্লাইট স্থগিত করেছে। আর এসব কারণে সাময়িকভাবে হলেও বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে চীন!
গত ৩১ জানুয়ারি রাত থেকে চীনে সরাসরি ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়েছে তাদের মিত্রদেশ রাশিয়া। এছাড়া, রাশিয়া তাদের নাগরিকদের চীন থেকে ফেরত নিয়ে যাওয়া শুরু করেছে।
চীনের আরেক মিত্রদেশ পাকিস্তানও সাময়িকভাবে সেখানে সরাসরি ফ্লাইট স্থগিত করেছে। পাকিস্তানের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (সিএএ) মুখপাত্র আবদুল সাত্তার বলেছেন, “আমরা আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চীনের সঙ্গে সব ধরনের ফ্লাইট স্থগিত করেছি।”
চলতি সপ্তাহ থেকেই চীনে সব ফ্লাইট স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে ভিয়েতনাম এয়ারলাইনস। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ভিয়েতনাম, বেইজিং, সাংহাই, গুয়াংজু ও শেনজেনের ফ্লাইট স্থগিত করা হবে। এছাড়া, ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে চেংদু ও ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ম্যাকাওয়ের সব ফ্লাইট স্থগিত করা হবে।
১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত চীনা নাগরিকদের জন্য ভিসামুক্ত ভ্রমণ ব্যবস্থা স্থগিত করেছে আর্মেনিয়া।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রথম দেশ হিসেবে চীনে সব ধরনের ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়েছে ইতালি।
চীনা পর্যটকদের সিঙ্গাপুরে প্রবেশ ও চীনা পাসপোর্টধারীদের ভিসা স্থগিত করছে সিঙ্গাপুর সরকার।
নিজ দেশের নাগরিকদের চীন ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আর মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম দেশ হিসেবে চীনের সঙ্গে সব ফ্লাইট বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে কাতার।
চীন থেকে সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে তুর্কি এয়ারলাইনসও। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব ফ্লাইট স্থগিত থাকবে।
চীনের প্রতিবেশী দেশ মঙ্গোলিয়া আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত চীনে প্রবেশের সব বন্দর বন্ধ করে দিয়েছে। এছাড়াও, চীন হয়ে যাওয়া অন্য দেশের পর্যটকরাও মঙ্গোলিয়ায় প্রবেশ করতে পারবে না বলে জানিয়েছে দেশটি।
উজবেকিস্তান সরকার রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থাকে চীনের সঙ্গে সব ফ্লাইট স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছে।
চীনের সঙ্গে সব ধরনের ফ্লাইট স্থগিত করেছে ইরান। ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাইদ নামাকির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
সিডনি-বেইজিং ও সিডনি-সাংহাই রুটে সরাসরি ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। গতকাল অস্ট্রেলিয়া সরকার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।