Thursday, February 13, 2020

Workshop on INCOTERMs 2020; Clear Understanding and Applications Trade Based Money Laundering and Financing of Terrorism




দুদিন ব্যাপী  TRADE QUEST MANAGEMENT SDN BHD   BLACKSTONE INSTITUTE যৌথভাবে   এক  workshop  আয়োজন করেছেন।
Workshop on  
INCOTERMs 2020; Clear Understanding and Applications যেটি শুরু হতে যাচ্ছে আগামীকাল ১৪ই ফেব্রয়ারী. ২০২০ সকাল ৯.৩০।

এবং



Trade Based Money Laundering and Financing of Terrorism যেটি শুরু হবে পরদিন ১৫ই ফেব্রয়ারী, ২০২০ রোজ শনিবার সকাল ৯.৩০ ।
আয়োজক সূত্রে জানা যায় যে, workshop ভ্যানু হোটেল ৭১. কাইজুদ্দিন টাওয়ার, ১৭৬, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি (পুরাতন ৪৭, বিজয়নগর), ঢাকা ১০০০। বাংলাদেশের সরকারী বেসরকারী  বিভিন্ন বানিজ্যিক ব্যাংকের প্রায় ১৫০ জন নির্বাহী/কর্মকর্তাগণ এই  Workshop অংশগ্রহন করবেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য Blackstone Institute, Dhaka, Bangladesh  বেশ কয়েক বছর যাবৎ ব্যাংকিং সেক্টরের   নতুন নতুন বিষয়ের উপর workshop  এর আয়োজন করে আসছে গত ২০১৯ সালে ৬টি workshop  এর আয়োজন করা হয়েছিলো। এবছরও আরো বেশী workshop আয়োজন করবে বলে Blackstone Institute সূত্রে জানা গিয়েছে।

আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে TRADE FINANCE বিস্তৃত অভিজ্ঞতার
সাথে প্রশিক্ষণ, শিক্ষা এবং বিকাশের ক্ষেত্রে   এই ধরনের  workshop  এর মাধ্যমে বিশেষ দক্ষতা  সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রযুক্তিগত আন্তর্জাতিক নিয়মগুলি সকল ব্যবহারকারীর পক্ষে যথাসম্ভব সহজ করার জন্য আয়োজকদের মূল ফোকাস।
Blackstone Institute, Dhaka, Bangladesh গুরুত্বপূর্ন এই কাজটি করে যাচ্ছেন বেশ কয়েক বছর ধরে।




Wednesday, February 12, 2020

চূড়ান্ত অনুমোদন পেল বেঙ্গল ব্যাংক


Sunday, February 9, 2020

ইসলামী ব্যাংকে রূপান্তর হচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড ও এনআরবি গ্লোবাল

সুদভিত্তিক ব্যাংকিং পরিহার করে পূর্ণাঙ্গ শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকিংয়ে রূপান্তরের অনুমোদন পেল বেসরকারি খাতের স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক এবং এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের গতকালের বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের নাম অপরিবর্তিত রাখা হলেও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক নাম বদলে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বৈঠকে প্রস্তাবিত বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের চূড়ান্ত লাইসেন্স এবং পিপলস ব্যাংককে আগ্রহপত্র (এলওআই) দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বেসরকারি খাতের স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমদ আর এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা নিজাম চৌধুরী। ২০১৩ সালে নতুন ৯টি ব্যাংকের অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। যার মধ্যে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক অন্যতম।

জানা গেছে, বেশ আগে থেকে ইসলামী ব্যাংকিংয়ে রূপান্তরের চেষ্টা চালিয়ে আসছে স্ট্যান্ডার্ডসহ পাঁচটি ব্যাংক। ব্যাংকগুলো হলো আইএফআইসি, যমুনা, এনসিসি এবং সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স। সম্প্রতি এ তালিকায় যুক্ত হয় এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক। এসব ব্যাংক নিজ পরিচালনা পর্ষদে সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করলেও আগে সাড়া মেলেনি। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভাগীয় পর্যায়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর গতকালের পরিচালনা পর্ষদে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ ধর্মপ্রাণ। এ কারণে কোনো কোনো প্রচলিত ধারার ব্যাংক ব্যবসায়িক কৌশল বদলাতে চাইছে। আবার প্রচলিত ধারার একটি ব্যাংক ১০০ টাকা আমানতের বিপরীতে ৮৫ টাকা ঋণ দিতে পারে। ইসলামী ব্যাংকগুলো যেখানে ৯০ টাকা দিতে পারে। এ ছাড়া প্রচলিত ধারার ব্যাংকের মতো ইসলামী ব্যাংকগুলোর সাড়ে ৫ শতাংশ হারে নগদ জমা সংরক্ষণ করতে হয়। অথচ প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোর ১৩ শতাংশ এসএলআর রাখার বাধ্যবাধ্যকতা থাকলেও ইসলামী ব্যাংকগুলোর জন্য তা সাড়ে ৫ শতাংশ। ইসলামী ব্যাংকগুলো যে কোনো সময় আমানতে মুনাফার হার পরিবর্তন করতে পারে। প্রচলিত ধারার ব্যাংক মেয়াদপূর্তির আগে যা পারে না। এসব কারণে প্রচলিত ধারার ব্যাংকের তুলনায় ইসলামী ব্যাংকে ভালো মুনাফা হয়। ফলে অনেক ব্যাংক হয়তো ইসলামী ব্যাংকিংয়ে রূপান্তরে আগ্রহ দেখাচ্ছে।

বর্তমানে দেশে মোট ৫৯টি তফসিল ব্যাংক কার্যক্রমে আছে। এর মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংক রয়েছে আটটি। আর ১৭টি ব্যাংকের ইসলামী ব্যাংকিং শাখা বা উইন্ডো রয়েছে। পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, আল-আরাফাহ্‌, শাহ্‌জালাল ইসলামী, এক্সিম, এসআইবিএল, ফার্স্ট সিকিউরিটি, আইসিবি ইসলামিক ও ইউনিয়ন ব্যাংক। এ ছাড়া ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডো রয়েছে- রাষ্ট্রীয় মালিকানার সোনালী ও অগ্রণী ব্যাংকের। তালিকায় আছে বেসরকারি খাতের পূবালী, এবি, দি সিটি, প্রাইম, সাউথইস্ট, ঢাকা, স্ট্যান্ডার্ড, প্রিমিয়ার, ব্যাংক এশিয়া, ট্রাস্ট ও যমুনা ব্যাংক। আর সর্বশেষ গত বছরের সেপ্টেম্বরে মার্কেন্টাইল ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডোর অনুমতি পেয়েছে। এ ছাড়া বিদেশি মালিকানার স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, আল-ফালাহ ও এইচএসবিসি ব্যাংকে ইসলামী ব্যাংকিং রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে সব ব্যাংক মিলে শাখা রয়েছে ১০ হাজার ৪০৬টি। এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংকিং শাখা আছে এক হাজার ৩০১টি। গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এসব শাখার মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৬২ হাজার ১১০ কোটি টাকা। ব্যাংক খাতের মোট ১০ লাখ ৯৩ হাজার ২৪০ কোটি টাকা আমানতের যা ২৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ। আর ইসলামী ব্যাংকিং শাখার ঋণ রয়েছে দুই লাখ ৫০ হাজার ৩২৩ কোটি টাকা। ব্যাংক খাতের ১০ লাখ ১৭ হাজার ৮২৬ কোটি টাকা ঋণের যা ২৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ। দেশে যে রেমিট্যান্স আসে তার ৩০ শতাংশের বেশি আসে এসব ব্যাংকের মাধ্যমে। যেখানে কর্মরত জনবল ৩৬ হাজার ৩৩৭ জন।

বেঙ্গল ও পিপলস ব্যাংক :এদিকে প্রস্তাবিত নতুন তিন ব্যাংকের মধ্যে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে গতকালের পর্ষদ সভায়। ব্যাংকটির ব্যবসায়িক পরিকল্পনাসহ একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন শেষে এ সিদ্ধান্ত দেয় পর্ষদ। এ ব্যাংকের চেয়ারম্যান বেঙ্গল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন। তিনি এফবিসিসিআইর সাবেক সহসভাপতি এবং সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের ভাই। অন্যদিকে ঋণের টাকায় শেয়ার কেনাসহ বিভিন্ন কারণে দীর্ঘদিন অনুমোদন আটকে যাওয়া পিপল ইসলামী ব্যাংকের আগ্রহপত্র (এলওআই) দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রস্তাবিত ব্যাংকটির মূল উদ্যোক্তা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা এমএ কাশেম।

শেয়ারবাজারে আসছে চার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ফাইল ছবি
ক্ষতিগ্রস্ত বাজারকে শক্তিশালীসহ সম্প্রসারণ করতে আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংককে পুঁজিবাজারে আনা হচ্ছে। ব্যাংকগুলো হচ্ছে- রূপালী, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল), অগ্রণী ও সোনালী ব্যাংক। বর্তমান রূপালী ব্যাংক তালিকাভুক্ত আছে। তবে এর শেয়ার বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে। এ জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের প্রতিনিধি থাকবে। এ সব কার্যক্রম সমন্বয় করবে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।
রোববার রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোকে পুঁজিবাজারে আনার করণীয় নির্ধারণ সংক্রান্ত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ সব তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মন্ত্রী বলেন, সামষ্টিক অর্থনীতির একটি খাত (রফতানি) ছাড়া সব ভালো আছে। আর অর্থনীতিকে একটি খাতের জন্য খারাপ আছে বলা যাবে না। আমাদের মূল অর্থনৈতিক এলাকায় কোথাও কোনো খারাপ সংকেত দিচ্ছে না। প্রত্যেক দেশেই সব খাত যে সমভাবে চলবে এমনটি নয়। সারা বিশ্বের অর্থনীতির বিবেচনায় আমাদের অবস্থা ভালো আছে। তিনি বলেন, শেয়ারবাজার চাঙ্গা করতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ দরকার। একটা জায়গা নিয়ে সব সময় আমরা চিন্তাগ্রস্ত, সেটি হচ্ছে পুঁজিবাজার। যে কোনো মূল্যে বাজার শক্তিশালী করতে চাই। এ জন্য চারটি রাষ্ট্রীয় ব্যাংক পুঁজিবাজারে নিয়ে আসা হচ্ছে। এরমধ্যে রূপালী ব্যাংকের শেয়ার রয়েছে বেসরকারি খাতে। আর শতভাগ সরকারি মালিকানাধীন অন্য তিন বাণিজ্যিক ব্যাংকের শেয়ার পুঁজিবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ছেড়ে দেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ সব শেয়ার একযোগে বাজারে ছাড়া হলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে ভালো মৌল ভিত্তির কোম্পানির শেয়ার অফলোডের কোনো বিকল্প নেই। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো শেয়ার ছাড়লে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ফিরে আসবে বলে আশা করা যায়। কারণ ব্যাংকগুলোর মালিক রাষ্ট্র, যে কোনো ধরনের নেতিবাচক পরিস্থিতিতে গ্যারান্টার রাষ্ট্র নিজেই।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আজকের বৈঠকে পুঁজিবাজার এ রকম হওয়ার কারণগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। লক্ষ্যণীয় হচ্ছে বাজারে কিছুটা মিসম্যাচ রয়েছে। এ ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের পরিমাণও কম। এর ফলে কিছু সময় বাজারে ভলাটিলিটি (বিশৃঙ্খল) বেশি থাকে। এই কারণে বাজার কমে গেলে খারাপ ইঙ্গিত বহন করে। এখন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এ জন্য সরকারে যে সব প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেগুলো পুঁজিবাজারে আসা উচিত সেগুলোকে পুঁজিবাজারে নিয়ে আসব।’
কবে নাগাদ এ সব শেয়ার বাজারে আসবে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, অক্টোবারের পরে যাব না। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর মাধ্যেই এগুলো করা হবে। আর এ বছরের মাঝেই ভালো কাজ যা আছে করে ফেলব।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, সোনালী ব্যাংকেও আমরা নিয়ে আসব। তবে এটাতে একটু সময় লাগবে। বাকি চারটা সেপ্টেম্বরের মধ্যে তালিকাভুক্ত করা হবে। কাজগুলো হয়তো দুই পর্যায়ে হতে পারে। সেপ্টেম্বরের মাঝেই কাজগুলো করতে চাই।
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলো বর্তমানে লাভজনক অবস্থায় রয়েছে। তারাই সরকারকে টাকা দিচ্ছে। তাই এখন আর রিফাইন্যানন্সিং-এর দরকার পড়ছে না। প্রত্যেকটা ব্যাংকই লাভজনক।’ এ মুহূর্তে অবকাঠামো খাতে যে পরিমাণ বিনিয়োগ করেছি। অর্থনীতি যেখানে উঠা-নামা করে সেগুলোতে আমরা হাত দিব। এ জন্য আমাদের ব্যাংক-বীমা খাত দেখতে হবে। এগুলো ঠিক করতে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক যে সমস্যাগুলো ছিল সেগুলো দূর করা হচ্ছে। আইনি কাঠামোতে সমস্যাগুলো দূর করছি।
‘এনবিআর ও ব্যাংকিং খাত দেখার জন্য আদালতে আমরা দুটো ডেডিগেটেড বেঞ্চ পেয়েছি। যার ফলে আমাদের মামলার সংখ্যা কমে যাবে। অপরাধী অপরাধ করলে মামলা করতে হবে, এবং সেটার রায় দ্রুত হবে। এতে করে অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে পাওয়ার সেক্টর থেকে লাভজনক সাতটি প্রাতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজারে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সাতটির মধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠান নতুনভাবে আনা হবে বাকি দুই-দুইটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের পরিমাণ বাড়ানো হবে। অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাজার শক্তিশালী করতে সরকার সহায়ক ভূমিকা রাখবে। তবে বাজার বাজারের মতো থাকবে। বাজার নিয়ন্ত্রণ সরকার করে না। আমরা যদি কোনো সহায়ক ভূমিকা রাখি এর উপকার পাবে জনগণ। বাজারে একটি প্রতিষ্ঠান নিয়ে আসতে পারি এটা যাবে জনগণের কাছে। পাশাপাশি সরকারি প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজারে আসলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে আকৃষ্ট হবে।’
বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম খায়রুল হোসেন, অর্থসচিব আবদুর রউফ তালুকদার, আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ব্যাংকগুলোর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Jugantor

ঠিক সময়ে কাজ শেষ, বাঁচল ১৪০০ কোটি টাকা

একটি বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (আরএইচডি) পরিকল্পিত সময়সীমার মধ্যে একটি মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ করেছে। এতে সাশ্রয় হয়েছে প্রায় ১৪০০ কোটি টাকা।
প্রকল্পের আওতায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক তিনটি নতুন সেতু তৈরি করা হয়েছে এবং তিনটি পুরোনো সেতু মেরামত করা হয়েছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ গত বছরের মে মাসের মধ্যে শীতলক্ষ্যা, মেঘনা ও গোমতী নদীর ওপর নতুন সেতু তৈরি এবং গত বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে পুরোনো সেতুর সংস্কার কাজ শেষ করে।
‘কাঁচপুর, মেঘনা এবং গোমতী দ্বিতীয় সেতু নির্মাণ ও বিদ্যমান সেতু পুনঃ নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পটির কাজ শেষ করার সময়সীমা ধরা হয়েছিলো ২০১৯ সালের ডিসেম্বর।
প্রকল্প পরিচালক আবু সালেহ মো. নুরুজ্জামান গতকাল শনিবার দ্য ডেইলি স্টারকে বলেছেন, “আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কাজ শেষ করেছি এবং আগামীকাল রবিবার একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আরএইচডির কাছে আনুষ্ঠানিক ভাবে এগুলো হস্তান্তর করবো।”
তিনি আরও বলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম, আরএইচডির প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল আলম এবং ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নওকি এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) হিসেবে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিলো আট হাজার ৪৮৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) ছয় হাজার ৪২৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা দেওয়ার কথা ছিলো।
আরএইচডির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী নুরুজ্জামান বলেছেন, “সব কাজ শেষ হওয়ার পর প্রকল্পের ব্যয় দাঁড়িয়েছে সাত হাজার ৯৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। যার অর্থ আমরা প্রায় এক হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা সাশ্রয় করেছি।”
এই সাফল্যের কারণ জানতে চাইলে নুরুজ্জামান বলেন, “প্রকল্পটির কাজ সময়মতো শেষ করতে পারাটাই ছিলো মূল কারণ।” জাপানিদের যথাযথ পরিকল্পনা এবং সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলোও সময়মতো কাজ শেষ করতে সহায়তা করেছিলো।
আরএইচডির প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল আলম বলেছেন, জাপানিদের নির্মাণ ও পরিকল্পনা পর্যায়ে প্রস্তুতি নেওয়া ছিলো সময়ের আগেই।
তিনি দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, “জাপানিরা নকশা, তহবিল এবং বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত ছিলো। যা প্রকল্পটি সময়মতো শেষ করতে সহায়তা করেছে।”

Daily Star

খবর > অর্থনীতি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের লেনদেনের তথ্য দিতে হবে দুদককে

Friday, February 7, 2020

এখন সঞ্চয়পত্রের উল্টো পিঠ দেখছে সরকার

বিডিনিউজ২৪.কম